0
ফেসবুক থেকে ফ্রেন্ডদের সব ছবি ডাউনলোড হবে এক বারে!
কোন ফ্রেণ্ড এর একাউন্টের সব (100)টি ছবি যদি আপনার পছন্দ হয়
তা হলে কি করবেন? একটা একটা করে এই 100 টি ডাউনলোড করবেন? করে দেখেছেন
কখনো? না এটা সম্ভব নয় তাই আমি আজ আপনাদের জন্য এমন একটা সফটওয়ার নিয়ে
আসলাম যেটা দিয়ে আপনি আপনার ফ্রেন্ড এর সব ছবি একবারে ডাউনলোড করতে পারবেন
বার বার ডাউনলোড দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। প্রথমে আপনি এখান থেকে
মাত্র 4.21 মেগা বাইটের সফটওয়ারটি নামিয়ে নিন এবার এটাকে আনজিপ করবেন
এখন pg.exe ফাইল টির উপর ডাবল ক্লিক করে ExtractAll করুন যেখানে ExtractAll
করবেন সেখানে একটি ফোল্ডার তৈরী হবে এবং ঐ ফোল্ডারের মধে আবার pg নামের
একটি ফাইল দেখতে পাবেন। সেটির উপরে ডাবল ক্লিক করুন তাহলে এ রকম একটি ছোট
উইন্ডো দেখতে পাবেন

এখন আপনি Login এ ক্লিক করুন তাহলে দেখবেন আপনার পিসির ডিফল্ট ব্রাউজার টিতে ফেসবুক ওপেন হবে এবং সেখানে আপনাকে লগিন করতে বলবে,

এখানে আপনার ই-মেইল এড্রেস ও পাসওর্য়াড দিয়ে লগিন করুন
এখন দেখবেন লগিন হওয়ার পর আপনাকে একটি কোড দিবে এই কোড টি আপনি কপি করুন এবং সফটওয়ারের উইন্ডোতে ফিরে গিয়ে দেখুন এই কোড টি প্রবেশ করাতে বলছে

সেটি প্রবেশ করান এবং I want to download এ ক্লিক করুন
এখন দেখবেন আপনার ফ্রেণ্ড লিস্ট এর সব ইউজার নেম সেখানে ডিসপ্লে হবে।

এখন সেখান থেকে আপনার যে ফ্রেণ্ড এর ছবি গুলো ডাউনলোড করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন এবং
Entire Album
Upload by user
ইত্যাদি সিলেক্ট করে Begin Download ক্লিক করে যে ফোল্ডারে ছবি গুলো রাখতে চান সেটি নির্বাচন করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ এখন দেখবেন একের পর এক ফোল্ডারের সব ছবি ডাউনলোড হতে থাকবে।
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
এখন আপনি Login এ ক্লিক করুন তাহলে দেখবেন আপনার পিসির ডিফল্ট ব্রাউজার টিতে ফেসবুক ওপেন হবে এবং সেখানে আপনাকে লগিন করতে বলবে,
এখানে আপনার ই-মেইল এড্রেস ও পাসওর্য়াড দিয়ে লগিন করুন
এখন দেখবেন লগিন হওয়ার পর আপনাকে একটি কোড দিবে এই কোড টি আপনি কপি করুন এবং সফটওয়ারের উইন্ডোতে ফিরে গিয়ে দেখুন এই কোড টি প্রবেশ করাতে বলছে
সেটি প্রবেশ করান এবং I want to download এ ক্লিক করুন
এখন দেখবেন আপনার ফ্রেণ্ড লিস্ট এর সব ইউজার নেম সেখানে ডিসপ্লে হবে।
এখন সেখান থেকে আপনার যে ফ্রেণ্ড এর ছবি গুলো ডাউনলোড করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন এবং
Entire Album
Upload by user
ইত্যাদি সিলেক্ট করে Begin Download ক্লিক করে যে ফোল্ডারে ছবি গুলো রাখতে চান সেটি নির্বাচন করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ এখন দেখবেন একের পর এক ফোল্ডারের সব ছবি ডাউনলোড হতে থাকবে।
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
0
আপনি জানেন কি আপনার জন্ম তারিখ বাংলায় কত?(xp user দের জন্য
আমরা বাঙ্গালী হলেও আমাদের জন্ম তারিখ টা অনেকে বাংলায় কত সনে কত তারিখে তা জানিনা। তাই আজ আপনাদের জন্য দারুন একটা সফটওয়্যার নিয়ে আসলাম

যেটা দিয়ে আপনি আপনার ইংরেজি জন্ম তারিখ অনুযায়ী বাংলা সন এবং তারিখ বের করতে পারবেন এক মুহুর্তেই। সাইজ মাত্র 2.68 মেগা বাইট। এটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ও আপনার জন্ম তারিখটা বাংলায় বের করুন, যেহেতু আমরা বাঙ্গালী তাই কোন একদিন লাগলেও তো লাগতে পারে তাই না? সবাইকে ধন্যবাদ।
যেটা দিয়ে আপনি আপনার ইংরেজি জন্ম তারিখ অনুযায়ী বাংলা সন এবং তারিখ বের করতে পারবেন এক মুহুর্তেই। সাইজ মাত্র 2.68 মেগা বাইট। এটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ও আপনার জন্ম তারিখটা বাংলায় বের করুন, যেহেতু আমরা বাঙ্গালী তাই কোন একদিন লাগলেও তো লাগতে পারে তাই না? সবাইকে ধন্যবাদ।
0

ব্রাজিলের রেইনফরেস্ট থেকে সম্প্রতি তোলা একটি ভিডিও চিত্র অ্যালিয়েনের অস্তিত্বের নতুন প্রমাণ উপস্থাপন করেছে।
দুজন ব্রিটিশ নাগরিকের করা ভিডিও থেকে একটি স্থির চিত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ছবিটিতে দেখতে পাওয়া অ্যালিয়েনটি আকারে বেশ ছোটো এবং একটি গাছের দিকে পিঠ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
এছাড়া ছবিটির এক পাশে উজ্জল আলো দেখা যায়। মনে করা হচ্ছে, ওই আলোর সঙ্গে অ্যালিয়েনের উপস্থিতির কোনো কারণ থাকতে পারে।
আমাজান বনের মামাউস অঞ্চলে ভ্রমণকালে ওই দুই ব্রিটিশ পর্যটক ভিডিওটি ধারণ করেন। পরে তাদের কাছ থেকে ভিডিওটি সংগ্রহ করেন লেখক মাইকেল কোহেন। তবে ভিডিওটি সর্বশেষ হস্তগত করেছে হলিউডের কিছু চলচ্চিত্র প্রযোজক।
আর এ বিষয়ে মাইকেল তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট allnewsweb.com এ বলেন, এটা খুবই প্রমাণ্য একটি ভিডিও। একে ভুল প্রমাণ করা কঠিন হবে। ভিডিওটি যে অঞ্চলে করা হয়েছে সে অঞ্চলে এমনিতেই ভিনগ্রহবাসীদের আনাগোনা আছে বলে ধারণা করা হয়। মনে হচ্ছে অ্যালিয়েনরা আমাদের জীববৈচিত্র সম্পর্কে আগ্রহী এবং এজন্যেই তারা ওই অঞ্চলটি বেছে নিয়েছে।
তবে যারা ভিনগ্রহবাসীদের নিয়ে একটু হলেও খোঁজ-খবর রাখেন, তাদের কাছে মাইকেল খুবই পরিচিত নাম। বিভিন্ন সমযে ভিনগ্রহবাসীদের সম্পর্কে উদ্ভট সব চটকদার খবর পরিবেশনে তার জুড়ি নেই।
এদিকে পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ অপারেশন প্রাতো নামে একটি তদন্ত দল নিয়োজিত করেছে। ঘটনাস্থলে অ্যালিয়েনের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।
অ্যামাজান জঙ্গলে ভিনগ্রহের মানব!
ব্রাজিলের রেইনফরেস্ট থেকে সম্প্রতি তোলা একটি ভিডিও চিত্র অ্যালিয়েনের অস্তিত্বের নতুন প্রমাণ উপস্থাপন করেছে।
দুজন ব্রিটিশ নাগরিকের করা ভিডিও থেকে একটি স্থির চিত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ছবিটিতে দেখতে পাওয়া অ্যালিয়েনটি আকারে বেশ ছোটো এবং একটি গাছের দিকে পিঠ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
এছাড়া ছবিটির এক পাশে উজ্জল আলো দেখা যায়। মনে করা হচ্ছে, ওই আলোর সঙ্গে অ্যালিয়েনের উপস্থিতির কোনো কারণ থাকতে পারে।
আমাজান বনের মামাউস অঞ্চলে ভ্রমণকালে ওই দুই ব্রিটিশ পর্যটক ভিডিওটি ধারণ করেন। পরে তাদের কাছ থেকে ভিডিওটি সংগ্রহ করেন লেখক মাইকেল কোহেন। তবে ভিডিওটি সর্বশেষ হস্তগত করেছে হলিউডের কিছু চলচ্চিত্র প্রযোজক।
আর এ বিষয়ে মাইকেল তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট allnewsweb.com এ বলেন, এটা খুবই প্রমাণ্য একটি ভিডিও। একে ভুল প্রমাণ করা কঠিন হবে। ভিডিওটি যে অঞ্চলে করা হয়েছে সে অঞ্চলে এমনিতেই ভিনগ্রহবাসীদের আনাগোনা আছে বলে ধারণা করা হয়। মনে হচ্ছে অ্যালিয়েনরা আমাদের জীববৈচিত্র সম্পর্কে আগ্রহী এবং এজন্যেই তারা ওই অঞ্চলটি বেছে নিয়েছে।
তবে যারা ভিনগ্রহবাসীদের নিয়ে একটু হলেও খোঁজ-খবর রাখেন, তাদের কাছে মাইকেল খুবই পরিচিত নাম। বিভিন্ন সমযে ভিনগ্রহবাসীদের সম্পর্কে উদ্ভট সব চটকদার খবর পরিবেশনে তার জুড়ি নেই।
এদিকে পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ অপারেশন প্রাতো নামে একটি তদন্ত দল নিয়োজিত করেছে। ঘটনাস্থলে অ্যালিয়েনের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।
0
এটিএম বুথে সতর্ক থাকুন(পড়ুন)
আমাদের জীবনযাপন আরও সহজ করতে ব্যাংকগুলো চালু করছে এটিএম বুথ। এই সেবার মাধ্যমে আমোদের সঙ্গে অনেক টাকা নিয়ে ঘুরতে হয়না। আর ব্যাংক বন্ধ না খোলা টাকার প্রয়োজনের সময় তাও দেখতে হয় না। ২৪ ঘণ্টার এই সুবিধা আমরা পেয়ে যাচ্ছি হাতের কাছেই।
এই শহরে আমাদের চারপাশে কিছু অসাধু লোক ঘুরে বেড়ায়। এরা সুযোগ পেলে আমাদের বিপদে ফেলতে পিছপা হয় না। এসব লোকদের কাছ থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখার উপায় জেনে নিতে হবে। যেমন আমরা হয়তো এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে গেলাম এ সময় চোর বা ছিনতাইকারী জোর করে টাকা তুলতে বাধ্য করতে পারে।
এমন বিপদে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কী করতে হবে আসুন জেনে নিই। তাদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে না গিয়ে বুদ্ধি খাটিয়ে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে। তাকে বাধা দেয়ার চেষ্ট করবেন না। তার নির্দেশমত এটিএম কার্ডটি পাঞ্চ করুন এবং পিন দেয়ার সময় বিপরীত পিনকোড দিন। যেমন: আপনার পিনকোড যদি ৫২১৭ হয় তাহলে পাঞ্চ করুন ৭১২৫।
যখনি আপনি বিপরীত পিনকোড দেবেন তখন টাকা কাউন্ট হবে, টাকা আসবে ঠিকই কিন্তু বুথ থেকে টাকা বের হবেনা এবং এটি কাছাকাছি দ্বায়িত্বে থাকা পুলিশকে এলার্ট দেবে। যা ছিনতাইকারী বুঝতেও পারবেনা।
গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশিচত করতে শহরের প্রায় প্রতিটি এটিএম বুথে এই সুবিধা রয়েছে।
এই শহরে আমাদের চারপাশে কিছু অসাধু লোক ঘুরে বেড়ায়। এরা সুযোগ পেলে আমাদের বিপদে ফেলতে পিছপা হয় না। এসব লোকদের কাছ থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখার উপায় জেনে নিতে হবে। যেমন আমরা হয়তো এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে গেলাম এ সময় চোর বা ছিনতাইকারী জোর করে টাকা তুলতে বাধ্য করতে পারে।
এমন বিপদে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কী করতে হবে আসুন জেনে নিই। তাদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে না গিয়ে বুদ্ধি খাটিয়ে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে। তাকে বাধা দেয়ার চেষ্ট করবেন না। তার নির্দেশমত এটিএম কার্ডটি পাঞ্চ করুন এবং পিন দেয়ার সময় বিপরীত পিনকোড দিন। যেমন: আপনার পিনকোড যদি ৫২১৭ হয় তাহলে পাঞ্চ করুন ৭১২৫।
যখনি আপনি বিপরীত পিনকোড দেবেন তখন টাকা কাউন্ট হবে, টাকা আসবে ঠিকই কিন্তু বুথ থেকে টাকা বের হবেনা এবং এটি কাছাকাছি দ্বায়িত্বে থাকা পুলিশকে এলার্ট দেবে। যা ছিনতাইকারী বুঝতেও পারবেনা।
গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশিচত করতে শহরের প্রায় প্রতিটি এটিএম বুথে এই সুবিধা রয়েছে।
0

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্ট ফোন আনলো মটোরোলা। ‘ড্রয়েড রেজর’ নামের এ ফোনটির বিষয়ে মটোরোলা বলছে, এটি ‘অসম্ভব পাতলা’ যাতে রয়েছে স্টেইনলেস স্টিল কোর, গরিলা গ্লাস স্ক্রিন এবং ন্যানোপ্রযুক্তির স্প্লার্স গার্ড যা ভিতরের ইলেকট্রিক বোর্ডকে রক্ষা করে।
এ ফোনটি মাত্রই ৭.১ মিলিমিটার পুরু। ৪.৩ ইঞ্চি স্ক্রিন সাইজের এ ফোনটি সুপার অ্যামোলিড ডিসপ্লের।
মটোরোলা মবিলিটি প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় ঝা জানিয়েছেন, এ ফোনটি স্যামসাংয়ের তৈরি গ্যালাক্সি ফোনগুলোর মতোই এবং কনট্রাস্ট এবং কালারের দিক থেকে অ্যাপলের আইফোন ৪ এস এর চেয়েও উন্নত। ১.২ গিগাহার্জ প্রসেসর বিশিষ্ট এ মোবাইল ফোনে নেটফ্লিক্স থেকে এইচডি মুভি ডাউনলোড করা যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড অপারেটিং সিস্টেমচালিত মটোরোলা রেজরে রয়েছে ওয়েবটপ ইন্টারফেস। উন্নত ব্যাটারি সুবিধার এ ডিভাইসটি বেশি শব্দ বা কম শব্দের স্থানগুলোতে ¯^য়ংক্রিয় ভাইব্রেশন মোডে চলে যায়। ফলে অনাকাক্সিখত ঘটনা এড়ানো যায়।
এ ফোনটির বিশেষ ফিচার হচ্ছে মটোকাস্ট’ যা সরাসরি কম্পিউটার থেকে সিনক্রোনাইজ করার সুবিধা দেয়।
ভেরিজনের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তিতে এ ফোনটির দাম পড়বে প্রায় ৩০০ ডলার।
সবচেয়ে পাতলা স্মার্ট ফোন আনলো মটোরোলা
বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্ট ফোন আনলো মটোরোলা। ‘ড্রয়েড রেজর’ নামের এ ফোনটির বিষয়ে মটোরোলা বলছে, এটি ‘অসম্ভব পাতলা’ যাতে রয়েছে স্টেইনলেস স্টিল কোর, গরিলা গ্লাস স্ক্রিন এবং ন্যানোপ্রযুক্তির স্প্লার্স গার্ড যা ভিতরের ইলেকট্রিক বোর্ডকে রক্ষা করে।
এ ফোনটি মাত্রই ৭.১ মিলিমিটার পুরু। ৪.৩ ইঞ্চি স্ক্রিন সাইজের এ ফোনটি সুপার অ্যামোলিড ডিসপ্লের।
মটোরোলা মবিলিটি প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় ঝা জানিয়েছেন, এ ফোনটি স্যামসাংয়ের তৈরি গ্যালাক্সি ফোনগুলোর মতোই এবং কনট্রাস্ট এবং কালারের দিক থেকে অ্যাপলের আইফোন ৪ এস এর চেয়েও উন্নত। ১.২ গিগাহার্জ প্রসেসর বিশিষ্ট এ মোবাইল ফোনে নেটফ্লিক্স থেকে এইচডি মুভি ডাউনলোড করা যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড অপারেটিং সিস্টেমচালিত মটোরোলা রেজরে রয়েছে ওয়েবটপ ইন্টারফেস। উন্নত ব্যাটারি সুবিধার এ ডিভাইসটি বেশি শব্দ বা কম শব্দের স্থানগুলোতে ¯^য়ংক্রিয় ভাইব্রেশন মোডে চলে যায়। ফলে অনাকাক্সিখত ঘটনা এড়ানো যায়।
এ ফোনটির বিশেষ ফিচার হচ্ছে মটোকাস্ট’ যা সরাসরি কম্পিউটার থেকে সিনক্রোনাইজ করার সুবিধা দেয়।
ভেরিজনের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তিতে এ ফোনটির দাম পড়বে প্রায় ৩০০ ডলার।
0

পানিনি বাংলা নামে একটি এপ্লিকেশন ব্যবহার করে খুব সহজে মোবাইলে বাংলা লিখতে পারেন। www.getjar.com থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে পারেন। বাংলায় এসএমএস দিতে পারবেন। ফেসবুক বা টুইটারে দিতে পারবেন বাংলায় স্ট্যাটাস।
কিভাবে কাজ করবেন :
১। পানিনি বাংলা নামের এপ্লিকেশন টি অন করলেই স্ক্রীনে বাংলা কী-প্যাড দেখাবে। আপনার কাঙ্খিত অক্ষরটি না থাকলে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।
২। মেসেজ লেখা শেষ হলে “অপশন” গিয়ে “পাঠান/দেখুন” যান।
৩। লেখাটি ফেসবুকে বা অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পুরো লেখাটি “Mark All” দিয়ে “Copy” করে নেন। এরপর এপ্লিকেশন থেকে বের হয়ে গেলেও লেখাটি ফেসবুক বা অন্যকোথাও যেখানে দরকার সেখানে এডিট করার সময় অপশন এ গিয়ে `paste’ করে দিলে আপনার লেখাটি পেয়ে যাবেন।
৪। যুক্তাক্ষর ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারের মতোই ভেঙে লিখতে হবে। যেমন : ক্ত= ক+ হসন্ত চিহ্ন +ত, ল্ল= ল+ হসন্ত চিহ্ন +ল, “য” ফলা লিখতে হসন্ত চিহ্ন দিয়ে তারপর “য” লিখুন। একই ভাবে (র্ ) রেফ লিখতে ( ) হসন্ত চিহ্ন দিয়ে র লিখতে হবে, এভাবেই যুক্তাক্ষর লিখতে হবে। যারা কম্পিউটারে কাজ করে তারা ব্যাপারটা ভালো ভাবে জানেন আশা করি।
এই লিঙ্কটি থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন।
মুঠোফোনে সফটওয়্যার দিয়ে বাংলা লিখতে চান?? রয়েছে উপায়
পানিনি বাংলা নামে একটি এপ্লিকেশন ব্যবহার করে খুব সহজে মোবাইলে বাংলা লিখতে পারেন। www.getjar.com থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে পারেন। বাংলায় এসএমএস দিতে পারবেন। ফেসবুক বা টুইটারে দিতে পারবেন বাংলায় স্ট্যাটাস।
কিভাবে কাজ করবেন :
১। পানিনি বাংলা নামের এপ্লিকেশন টি অন করলেই স্ক্রীনে বাংলা কী-প্যাড দেখাবে। আপনার কাঙ্খিত অক্ষরটি না থাকলে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।
২। মেসেজ লেখা শেষ হলে “অপশন” গিয়ে “পাঠান/দেখুন” যান।
৩। লেখাটি ফেসবুকে বা অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পুরো লেখাটি “Mark All” দিয়ে “Copy” করে নেন। এরপর এপ্লিকেশন থেকে বের হয়ে গেলেও লেখাটি ফেসবুক বা অন্যকোথাও যেখানে দরকার সেখানে এডিট করার সময় অপশন এ গিয়ে `paste’ করে দিলে আপনার লেখাটি পেয়ে যাবেন।
৪। যুক্তাক্ষর ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারের মতোই ভেঙে লিখতে হবে। যেমন : ক্ত= ক+ হসন্ত চিহ্ন +ত, ল্ল= ল+ হসন্ত চিহ্ন +ল, “য” ফলা লিখতে হসন্ত চিহ্ন দিয়ে তারপর “য” লিখুন। একই ভাবে (র্ ) রেফ লিখতে ( ) হসন্ত চিহ্ন দিয়ে র লিখতে হবে, এভাবেই যুক্তাক্ষর লিখতে হবে। যারা কম্পিউটারে কাজ করে তারা ব্যাপারটা ভালো ভাবে জানেন আশা করি।
এই লিঙ্কটি থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন।
0

গবেষকরা চোখের সাহায্যে সম্মোহন বা হিপনোটাইজ করা যায় বলেই সম্প্রতি স্বীকার করেছেন। সম্মোহনী ক্ষমতার অস্তিত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন মনোবিদদের মধ্যে সন্দেহ ছিলো। সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়ে গবেষণা করে ইতিবাচক তথ্য পেয়েছেন। খবর ডেইলি মেইল-এর।
মনোবিদরা ধারণা করতেন, কাউকে সম্মোহিত বা হিপনোটাইজ করা হলে সে পুরো সচেতন থাকে, কেবল তার মনের পর্দায় যে ছবি দেখানো হয় সেটি ভাসতে থাকে। কিন্তু ফিনল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ টার্কু অ্যান্ড আলটো এবং সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অফ স্কোভডে-এর গবেষকরা সম্মোহিত অবস্থার প্রমাণ পেয়েছেন এবং তা প্রচলিত ধারণার চেয়ে ভিন্ন বলেই স্বীকার করেছেন।
গবেষকরা বলছেন, হিপনোটিক অবস্থা এবং স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যে কয়েক সেকেন্ডের পার্থক্য রয়েছে। এ সময় চোখের জ্যোতির মধ্যে স্বয়ংক্রিয় পরিবর্তন, এবং প্রতিফলন স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ভিন্ন বলেই গবেষকরা জানিয়েছেন। সম্মোহিত অবস্থায় মনের ভেতর কেবল ছবি ফুটে ওঠে এ ধারণাটি ঠিক নয়।
উল্লেখ্য, বৈজ্ঞানিকভিত্তিতে এই প্রথমবারের মতো সম্মোহনী ক্ষমতার অস্তিত্বকে মেনে নিলেন গবেষকরা।
সম্মোহনকে স্বীকৃতি দিলেন গবেষকরা!!
গবেষকরা চোখের সাহায্যে সম্মোহন বা হিপনোটাইজ করা যায় বলেই সম্প্রতি স্বীকার করেছেন। সম্মোহনী ক্ষমতার অস্তিত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন মনোবিদদের মধ্যে সন্দেহ ছিলো। সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়ে গবেষণা করে ইতিবাচক তথ্য পেয়েছেন। খবর ডেইলি মেইল-এর।
মনোবিদরা ধারণা করতেন, কাউকে সম্মোহিত বা হিপনোটাইজ করা হলে সে পুরো সচেতন থাকে, কেবল তার মনের পর্দায় যে ছবি দেখানো হয় সেটি ভাসতে থাকে। কিন্তু ফিনল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ টার্কু অ্যান্ড আলটো এবং সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অফ স্কোভডে-এর গবেষকরা সম্মোহিত অবস্থার প্রমাণ পেয়েছেন এবং তা প্রচলিত ধারণার চেয়ে ভিন্ন বলেই স্বীকার করেছেন।
গবেষকরা বলছেন, হিপনোটিক অবস্থা এবং স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যে কয়েক সেকেন্ডের পার্থক্য রয়েছে। এ সময় চোখের জ্যোতির মধ্যে স্বয়ংক্রিয় পরিবর্তন, এবং প্রতিফলন স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ভিন্ন বলেই গবেষকরা জানিয়েছেন। সম্মোহিত অবস্থায় মনের ভেতর কেবল ছবি ফুটে ওঠে এ ধারণাটি ঠিক নয়।
উল্লেখ্য, বৈজ্ঞানিকভিত্তিতে এই প্রথমবারের মতো সম্মোহনী ক্ষমতার অস্তিত্বকে মেনে নিলেন গবেষকরা।
0

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী ভূত হলো এমন এক জিনিস, যা মৃত ব্যক্তির আত্মা। আর তা জীবিত ব্যক্তির সামনে দৃশ্য আকার ধারণ বা অন্য কোনো উপায়ে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম। ভৌতিক অভিজ্ঞতার গল্প কম-বেশি সবারই জানা। এসব গল্পে ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। কখনো অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় আবার কখনোবা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। আর এসব ভূত বা প্রেতাত্মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ভবিষ্যদ্বাণী বা কোনো কাজ করার বিদ্যাকে নেক্রোম্যান্সি বা কালো জাদু বলে। ভূডূ হচ্ছে এক ধরনের ব্ল্যাক ম্যাজিক বা ডাকিনীবিদ্যা। ভূডূবিদ্যার সাহায্যে নাকি কবরের লাশ জ্যান্ত করে তাকে গোলামের মতো খাটানো যায়। অন্যদিকে শামানের কাজও মৃত মানুষের আত্মা নিয়ে। তবে ভূডূর সঙ্গে শামানদের পার্থক্য_ এরা মন্দ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াই করে। মন্দ আত্মাকে কাজে লাগায়।
বিদেশি সিনেমায় এমনকি ভারতীয় সিরিয়ালে প্রায়ই দেখা যায়, একজন দুষ্ট ব্যক্তি একটি পুতুলের গায়ে সুঁচ ফুটিয়ে আরেক জায়গায় এক ব্যক্তিকে হত্যা করছে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। বাংলায় একে ফুঁক দেওয়া, কবজ করা অথবা বাণ মারা বলে। এ ধরনের ঘটনা যারা ঘটায় তাদের ওঝা বলে। আর এ প্রক্রিয়াটিই বিশ্বব্যাপী ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদু নামে পরিচিত।
খ্রিস্টধর্ম প্রবর্তনেরও আগের কথা। বহুকাল আগে পাশ্চাত্যে বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের প্রচলন ছিল না। তবে তাদের মধ্যে অদ্ভুত কিছু বিশ্বাস ও কর্মকাণ্ডের চর্চা ছিল। এরা এক একটি গোত্র বিভিন্ন কাল্পনিক ভূত-প্রেত বা অশুভ আত্মার আরাধনা করত। যা অঋজওঈঅঘ ইখঅঈক গঅওেঈ বা কালো জাদু নামে পরিচিত। এমনকি এখনো এ বিদ্যার গোপন অনুসারীরা তাদের এ বিদ্যা দিয়ে মানুষের ক্ষতি করে আসছে। এ বিদ্যায় পারদর্শীদের ডাকি বা ওঝা বলে আর আফ্রিকান ভাষায় এদের বলে কিনডকি ।
মূলত প্রাক-শিক্ষিত সংস্কৃতির সর্বপ্রাণবাদ ও পূর্বপুরুষ পূজার মধ্যে ভূত বা আত্মাসংক্রান্ত ধ্যান-ধারণার প্রথম বিবরণ পাওয়া যায়। সে যুগে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রথা, অন্ত্যেষ্টি সংস্কার, ভূত তাড়ানো অনুষ্ঠান ও জাদু অনুষ্ঠান আয়োজিত হতো। আর এসব আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মৃত আত্মার সন্তুষ্টি আনয়ন। মূলত আত্মাসংক্রান্ত সেই ধ্যান-ধারণা থেকেই ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদুর বিবর্তন।
আদিম সমাজে উইচ-ডক্টর বা রোজারা এমন ব্যক্তি ছিলেন যারা ব্ল্যাক ম্যাজিক জানতেন। অতিন্দ্রীয় শক্তির বলে প্রেতাত্মাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন। আর প্রেতাত্মাদের দিয়ে সম্ভব-অসম্ভব যে কোনো কাজ করে ফেলতে পারতেন খুব সহজেই। সে কারণে ওই সময় রোজারা একাধারে চিকিৎসক, জাদুকর এবং পুরোহিতের ভূমিকা পালন করতেন।
বর্তমানকালেও আদিম-সামাজিক ব্যবস্থায় বসবাসকারীদের মধ্যে উইচ-ডক্টর বা রোজাদের প্রভাব দেখা যায়। আদিম জাতিদের মধ্যে রোজাদের খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো।
রোজারা তাদের ডাকিনী বিদ্যা খাটিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে পারত। চোর বা হত্যাকারী ধরা ও শাস্তি প্রদানে রোজাদের অপরিহার্য ভূমিকা ছিল। এছাড়াও তারা জাদুবিদ্যার সাহায্যে রোগ নির্ণয় এবং এর প্রতিকার করতেন। তারা তাদের শিশুদের রোগাক্রান্ত্ত করতে পারতেন এবং মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারতেন। মানুষের মৃত্যু ঘটানোর জন্য তারা নানা ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতেন। কখনো মানুষের একটি ছোট আকৃতির পুতুল তৈরি করে তাতে পিন বিদ্ধ করতেন। আবার কখনো কোনো লোকের চুল বা নখের টুকরো সংগ্রহ করে তা মাটিতে পুঁতে রাখতেন। এগুলো যখন আস্তে আস্তে শুকিয়ে যেত মানুষটিও ক্রমেই মৃত্যুমুখে পতিত হতো। রোজারা প্রায়ই রোগের চিকিৎসার জন্য গাছ-গাছড়া, লতাপাতা ব্যবহার এবং রোগের সংক্রমণ দূর করার জন্য জল ব্যবহার করত। কখনো তারা জাদুকরী পাথরসহ জল ছিটিয়ে দিতেন। তারা জাদুকরী গান, প্রার্থনা এবং আশ্চর্য ভঙ্গিমায় নৃত্য করত। এর উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মনকে প্রভাবিত করা। রোজারা সব সময় রঙিন পোশাক পরত, মুখোশ ধারণ এবং মুখমণ্ডল চিত্রিত করত। কেউ কেউ পশুর চামড়াও পরিধান করত। বস্তুত মানুষকে সম্মোহিত করত। আর লোকজন বিশ্বাস করতে বাধ্য হতো যে তাদের সৌভাগ্যের জন্য রোজারাই দায়ী।
ভূডূ (ঠড়ড়ফড়ড়) হচ্ছে এক ধরনের ব্ল্যাক ম্যাজিক বা ডাকিনীবিদ্যা। শোনা যায়, ভূডূবিদ্যার সাহায্যে নাকি কবরের লাশ জ্যান্ত করে তাকে গোলামের মতো খাটানো যায়। শামানের কাজও মৃত মানুষের আত্মা নিয়ে। তবে ভূডূর সঙ্গে শামানদের পার্থক্য হলো_ এরা মন্দ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াই করে। মন্দ আত্মাকে কাজে লাগায়। ভূডূ এক ধরনের অপবিদ্যা। যারা ভূডূবিদ্যা জানে, তারা নাকি ইচ্ছা করলেই যাকে খুশি তার ক্ষতি করতে পারে। তাই এ বিদ্যায় পারদর্শীদের অনেকেই এড়িয়ে চলেন।
তবে শামান সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে। শামানকে কেউ বলে জাদুকর, কেউ কবিরাজ। শামান কথাটি এসেছে সাইবেরিয়ার তুঙ্গুস ভাষী মেষ পালকদের কাছ থেকে। অস্টাদশ শতাব্দীর ভ্রমণকারীরা প্রথম শামানদের ব্যাপারে বিশ্ববাসীকে অবহিত করেন। জানা যায়, শামানরা এমন ধরনের মানুষ যাদের রয়েছে অবিশ্বাস্য শক্তি। মৃত ব্যক্তির আত্মার কাছ থেকে জ্ঞান সংগ্রহ করে তারা। ইচ্ছা করলেই নাকি নশ্বর দেহ ত্যাগ করে স্বর্গ বা নরকে স্বচ্ছন্দে প্রবেশ করতে পারে।
শামানদের প্রধান বাসস্থান এক সময় সাইবেরিয়া হলেও সোভিয়েতদের অত্যাচারে তারা দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়। তারা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা জায়গায়। শামান বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের শহরাঞ্চলেও। শামানরা তাদের নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শনের জন্য ভ্রমণ করছে চিলির সান্তিয়াগো থেকে শুরু করে কোরিয়ার সিউল পর্যন্ত। যদিও অনেক দেশের সরকার শামানিক চর্চাকে অবৈধ এবং বিপজ্জনক বলে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু রোমান্টিক মানুষের কাছে শামান হলো ধর্মীয় অভিজ্ঞতা লাভের গাইড। আর জাতীয়তাবাদীরা শামানকে মনে করে প্রাচীন সাংস্কৃতিক জ্ঞানের বাহক।
শামানদের মতে, আমাদের চারপাশে যত উপাদান রয়েছে সব কিছুর মাঝে আছে আত্মার অস্তিত্ব। 'ভূডূ' কথার অর্থও 'আত্মা'। এই শব্দটির উৎপত্তি ফন জাতির কাছ থেকে। এরা ইউয়ি সম্প্রদায়ের আত্মীয়। ভূডূ চর্চার উৎপত্তি হাইতিতে। তবে আফ্রিকায় এর চর্চা ব্যাপক। ব্রাজিল, জ্যামাইকাতেও কিন্তু কম ভূডূ চর্চা হয় না। তবে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নাম। যেমন, হাইতিতে বলা হয় ভূডূ, ব্রাজিলে ক্যানডোমবল, জ্যামাইকাতে ওবিয়াহ ইত্যাদি। পশ্চিম অফ্রিকার মানুষ সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে ভূডূতে সেখানকার কমপক্ষে পঁচিশ লাখ মানুষ এ বিদ্যার অনুরাগী। এ চর্চা সবচেয়ে বেশি হয় আফ্রিকার ঘানায়। ঘানার ককুজানের অধিবাসীরা এ বিদ্যাটির সাংঘাতিক অনুরাগী। এরা অসুখ-বিসুখে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের কাছে যাওয়ার চেয়ে ভূডূ চিকিৎসকদের ওপর অনেক বেশি ভরসা করে।
শামানরাও তাই। আত্মার ওপর এদের বিশ্বাস গভীর। এদের ধারণা, আত্মা তাদের সব বিপদ থেকে রক্ষা করবে। বংশপরম্পরায় এ বিশ্বাস চলে আসছে তাদের মাঝে।
অদ্ভুত কালো জাদু
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী ভূত হলো এমন এক জিনিস, যা মৃত ব্যক্তির আত্মা। আর তা জীবিত ব্যক্তির সামনে দৃশ্য আকার ধারণ বা অন্য কোনো উপায়ে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম। ভৌতিক অভিজ্ঞতার গল্প কম-বেশি সবারই জানা। এসব গল্পে ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। কখনো অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় আবার কখনোবা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। আর এসব ভূত বা প্রেতাত্মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ভবিষ্যদ্বাণী বা কোনো কাজ করার বিদ্যাকে নেক্রোম্যান্সি বা কালো জাদু বলে। ভূডূ হচ্ছে এক ধরনের ব্ল্যাক ম্যাজিক বা ডাকিনীবিদ্যা। ভূডূবিদ্যার সাহায্যে নাকি কবরের লাশ জ্যান্ত করে তাকে গোলামের মতো খাটানো যায়। অন্যদিকে শামানের কাজও মৃত মানুষের আত্মা নিয়ে। তবে ভূডূর সঙ্গে শামানদের পার্থক্য_ এরা মন্দ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াই করে। মন্দ আত্মাকে কাজে লাগায়।
বিদেশি সিনেমায় এমনকি ভারতীয় সিরিয়ালে প্রায়ই দেখা যায়, একজন দুষ্ট ব্যক্তি একটি পুতুলের গায়ে সুঁচ ফুটিয়ে আরেক জায়গায় এক ব্যক্তিকে হত্যা করছে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। বাংলায় একে ফুঁক দেওয়া, কবজ করা অথবা বাণ মারা বলে। এ ধরনের ঘটনা যারা ঘটায় তাদের ওঝা বলে। আর এ প্রক্রিয়াটিই বিশ্বব্যাপী ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদু নামে পরিচিত।
খ্রিস্টধর্ম প্রবর্তনেরও আগের কথা। বহুকাল আগে পাশ্চাত্যে বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের প্রচলন ছিল না। তবে তাদের মধ্যে অদ্ভুত কিছু বিশ্বাস ও কর্মকাণ্ডের চর্চা ছিল। এরা এক একটি গোত্র বিভিন্ন কাল্পনিক ভূত-প্রেত বা অশুভ আত্মার আরাধনা করত। যা অঋজওঈঅঘ ইখঅঈক গঅওেঈ বা কালো জাদু নামে পরিচিত। এমনকি এখনো এ বিদ্যার গোপন অনুসারীরা তাদের এ বিদ্যা দিয়ে মানুষের ক্ষতি করে আসছে। এ বিদ্যায় পারদর্শীদের ডাকি বা ওঝা বলে আর আফ্রিকান ভাষায় এদের বলে কিনডকি ।
মূলত প্রাক-শিক্ষিত সংস্কৃতির সর্বপ্রাণবাদ ও পূর্বপুরুষ পূজার মধ্যে ভূত বা আত্মাসংক্রান্ত ধ্যান-ধারণার প্রথম বিবরণ পাওয়া যায়। সে যুগে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রথা, অন্ত্যেষ্টি সংস্কার, ভূত তাড়ানো অনুষ্ঠান ও জাদু অনুষ্ঠান আয়োজিত হতো। আর এসব আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মৃত আত্মার সন্তুষ্টি আনয়ন। মূলত আত্মাসংক্রান্ত সেই ধ্যান-ধারণা থেকেই ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদুর বিবর্তন।
আদিম সমাজে উইচ-ডক্টর বা রোজারা এমন ব্যক্তি ছিলেন যারা ব্ল্যাক ম্যাজিক জানতেন। অতিন্দ্রীয় শক্তির বলে প্রেতাত্মাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন। আর প্রেতাত্মাদের দিয়ে সম্ভব-অসম্ভব যে কোনো কাজ করে ফেলতে পারতেন খুব সহজেই। সে কারণে ওই সময় রোজারা একাধারে চিকিৎসক, জাদুকর এবং পুরোহিতের ভূমিকা পালন করতেন।
বর্তমানকালেও আদিম-সামাজিক ব্যবস্থায় বসবাসকারীদের মধ্যে উইচ-ডক্টর বা রোজাদের প্রভাব দেখা যায়। আদিম জাতিদের মধ্যে রোজাদের খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো।
রোজারা তাদের ডাকিনী বিদ্যা খাটিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে পারত। চোর বা হত্যাকারী ধরা ও শাস্তি প্রদানে রোজাদের অপরিহার্য ভূমিকা ছিল। এছাড়াও তারা জাদুবিদ্যার সাহায্যে রোগ নির্ণয় এবং এর প্রতিকার করতেন। তারা তাদের শিশুদের রোগাক্রান্ত্ত করতে পারতেন এবং মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারতেন। মানুষের মৃত্যু ঘটানোর জন্য তারা নানা ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতেন। কখনো মানুষের একটি ছোট আকৃতির পুতুল তৈরি করে তাতে পিন বিদ্ধ করতেন। আবার কখনো কোনো লোকের চুল বা নখের টুকরো সংগ্রহ করে তা মাটিতে পুঁতে রাখতেন। এগুলো যখন আস্তে আস্তে শুকিয়ে যেত মানুষটিও ক্রমেই মৃত্যুমুখে পতিত হতো। রোজারা প্রায়ই রোগের চিকিৎসার জন্য গাছ-গাছড়া, লতাপাতা ব্যবহার এবং রোগের সংক্রমণ দূর করার জন্য জল ব্যবহার করত। কখনো তারা জাদুকরী পাথরসহ জল ছিটিয়ে দিতেন। তারা জাদুকরী গান, প্রার্থনা এবং আশ্চর্য ভঙ্গিমায় নৃত্য করত। এর উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মনকে প্রভাবিত করা। রোজারা সব সময় রঙিন পোশাক পরত, মুখোশ ধারণ এবং মুখমণ্ডল চিত্রিত করত। কেউ কেউ পশুর চামড়াও পরিধান করত। বস্তুত মানুষকে সম্মোহিত করত। আর লোকজন বিশ্বাস করতে বাধ্য হতো যে তাদের সৌভাগ্যের জন্য রোজারাই দায়ী।
ভূডূ (ঠড়ড়ফড়ড়) হচ্ছে এক ধরনের ব্ল্যাক ম্যাজিক বা ডাকিনীবিদ্যা। শোনা যায়, ভূডূবিদ্যার সাহায্যে নাকি কবরের লাশ জ্যান্ত করে তাকে গোলামের মতো খাটানো যায়। শামানের কাজও মৃত মানুষের আত্মা নিয়ে। তবে ভূডূর সঙ্গে শামানদের পার্থক্য হলো_ এরা মন্দ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াই করে। মন্দ আত্মাকে কাজে লাগায়। ভূডূ এক ধরনের অপবিদ্যা। যারা ভূডূবিদ্যা জানে, তারা নাকি ইচ্ছা করলেই যাকে খুশি তার ক্ষতি করতে পারে। তাই এ বিদ্যায় পারদর্শীদের অনেকেই এড়িয়ে চলেন।
তবে শামান সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে। শামানকে কেউ বলে জাদুকর, কেউ কবিরাজ। শামান কথাটি এসেছে সাইবেরিয়ার তুঙ্গুস ভাষী মেষ পালকদের কাছ থেকে। অস্টাদশ শতাব্দীর ভ্রমণকারীরা প্রথম শামানদের ব্যাপারে বিশ্ববাসীকে অবহিত করেন। জানা যায়, শামানরা এমন ধরনের মানুষ যাদের রয়েছে অবিশ্বাস্য শক্তি। মৃত ব্যক্তির আত্মার কাছ থেকে জ্ঞান সংগ্রহ করে তারা। ইচ্ছা করলেই নাকি নশ্বর দেহ ত্যাগ করে স্বর্গ বা নরকে স্বচ্ছন্দে প্রবেশ করতে পারে।
শামানদের প্রধান বাসস্থান এক সময় সাইবেরিয়া হলেও সোভিয়েতদের অত্যাচারে তারা দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়। তারা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা জায়গায়। শামান বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের শহরাঞ্চলেও। শামানরা তাদের নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শনের জন্য ভ্রমণ করছে চিলির সান্তিয়াগো থেকে শুরু করে কোরিয়ার সিউল পর্যন্ত। যদিও অনেক দেশের সরকার শামানিক চর্চাকে অবৈধ এবং বিপজ্জনক বলে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু রোমান্টিক মানুষের কাছে শামান হলো ধর্মীয় অভিজ্ঞতা লাভের গাইড। আর জাতীয়তাবাদীরা শামানকে মনে করে প্রাচীন সাংস্কৃতিক জ্ঞানের বাহক।
শামানদের মতে, আমাদের চারপাশে যত উপাদান রয়েছে সব কিছুর মাঝে আছে আত্মার অস্তিত্ব। 'ভূডূ' কথার অর্থও 'আত্মা'। এই শব্দটির উৎপত্তি ফন জাতির কাছ থেকে। এরা ইউয়ি সম্প্রদায়ের আত্মীয়। ভূডূ চর্চার উৎপত্তি হাইতিতে। তবে আফ্রিকায় এর চর্চা ব্যাপক। ব্রাজিল, জ্যামাইকাতেও কিন্তু কম ভূডূ চর্চা হয় না। তবে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নাম। যেমন, হাইতিতে বলা হয় ভূডূ, ব্রাজিলে ক্যানডোমবল, জ্যামাইকাতে ওবিয়াহ ইত্যাদি। পশ্চিম অফ্রিকার মানুষ সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে ভূডূতে সেখানকার কমপক্ষে পঁচিশ লাখ মানুষ এ বিদ্যার অনুরাগী। এ চর্চা সবচেয়ে বেশি হয় আফ্রিকার ঘানায়। ঘানার ককুজানের অধিবাসীরা এ বিদ্যাটির সাংঘাতিক অনুরাগী। এরা অসুখ-বিসুখে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের কাছে যাওয়ার চেয়ে ভূডূ চিকিৎসকদের ওপর অনেক বেশি ভরসা করে।
শামানরাও তাই। আত্মার ওপর এদের বিশ্বাস গভীর। এদের ধারণা, আত্মা তাদের সব বিপদ থেকে রক্ষা করবে। বংশপরম্পরায় এ বিশ্বাস চলে আসছে তাদের মাঝে।
0
কীবোর্ডের Button চাপুন আর উপভোগ করুন চমৎকার সব SOUND effect
সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি.
মনে করুন আপনি keyboard এর key চাপছেন আর ক্ষনে ক্ষনে ভেসে আসছে বিচিত্র সুমধুর শব্ধ অথবা যেমনটি আপনি চান।
ঠিক তেমনি এক মজার software
JINGLE KEY
এই জিংগেল কি দ্বারা আপনি কম্পিউটারের কিবোর্ডের বোতাম চাপা মাত্রই এক এক
key তে শুনেত পাবেন এক এক ধরনেরsound বা jingle। তা কখনো পাখির মিষ্টি সুর, টাইপরাইটারের চমৎকার আওয়াজ
কিংবা ইচ্ছে করলে শুনেত পাবেন বোমার বিকট শব্দ।
ফ্রিওয়্যার এই সফটি নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন.......
DOWNLOAD
মনে করুন আপনি keyboard এর key চাপছেন আর ক্ষনে ক্ষনে ভেসে আসছে বিচিত্র সুমধুর শব্ধ অথবা যেমনটি আপনি চান।
ঠিক তেমনি এক মজার software
JINGLE KEY
এই জিংগেল কি দ্বারা আপনি কম্পিউটারের কিবোর্ডের বোতাম চাপা মাত্রই এক এক
key তে শুনেত পাবেন এক এক ধরনেরsound বা jingle। তা কখনো পাখির মিষ্টি সুর, টাইপরাইটারের চমৎকার আওয়াজ
কিংবা ইচ্ছে করলে শুনেত পাবেন বোমার বিকট শব্দ।
ফ্রিওয়্যার এই সফটি নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন.......
DOWNLOAD
0
জিবনের যতটা সময় পাড়ি দিয়েছেন
প্রতিনিইয়ত আমরা ছুটে চলছি। চলে যাচ্ছে সময়। আপনি কতটা সময় পাড়ি দিয়েছেন তার সঠিক হিসাব ... দিন,মাস, ঘণ্টা, সেকেন্ড জানুন...
ক্লীক করুন...
ক্লীক করুন...
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)